Saturday, November 23, 2019

উজান পঞ্চদশ সংখ্যা : ২০১৯



'উজান' প্রকাশিত হয় অসমের পুবপ্রান্তিক শহর তিনসুকিয়া থেকে। প্রকাশ করে উজান সাহিত্য গোষ্ঠী। বছরে মূলত একটিই সংখ্যা প্রকাশিত হয়, পুজোর আগে আগে। এবারে   ২৯ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যাবেলা -- তিনসুকিয়াতে এক অনুষ্ঠানে পত্রিকাটির এই পঞ্চদশ বর্ষ সংখ্যা উন্মোচন করেছিলেন সমাজকর্মী হরকুমার গোস্বামী। গেল কয়েকটি সংখ্যা কাগজটি কোনো না কোনো বিষয় ধরে প্রকাশিত হয়ে আসছিল। এবং অসম তথা অসমের বাইরের পাঠকদের মধ্যে সমাদৃত হয়ে আসছিল। এবারের পত্রিকার বিষয় করা হয়েছে ‘নাগরিকত্ব ও গণতন্ত্র’। উন্মোচনী অনুষ্ঠানে একই বিষয়ে বক্তৃতা করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল হর কুমার গোস্বামীকে। 
সবিতা দেবনাথের মুখ্য সম্পাদনাতে প্রকাশিত কাগজটির সম্পাদনা সমিতির বাকি সদস্যরা হচ্ছেন, অধ্যাপক সুশান্ত কর, অধ্যাপক সান্ত্বনা সেন শর্মা চৌধুরী, সুজয় রায় এবং ভানুভূষণ দাস।

এই সংখ্যার লেখক তালিকাতে আছেন অধ্যাপক দেবব্রত শর্মা, অধ্যাপক তপোধীর ভট্টাচার্য, সমাজকর্মী ও লেখক অরূপ বৈশ্য, ত্রিদিব নীলিম দত্ত, অনন্ত আচার্য প্রমুখ। পল্লব ভট্টাচার্য, দিলীপ কান্তি লস্কর, বিজয় কুমার ভট্টাচার্য, সপ্তর্ষি বিশ্বাস, শান্তনু গুপ্ত, রবিন ভট্টাচার্য, শ্রীভদ্র, আম্রপালি দেব, তমোজিৎ সাহা , নীলদীপ চক্রবর্তী, চিরশ্রী দেবনাথ, দেবলীনা সেনগুপ্ত প্রমুখ জনা ত্রিশেক কবির কবিতাতে সেজে উঠেছে। মলয় কান্তি দে, রণবীর পুরকায়স্থ, প্রলয় নাগ, আদিমা মজুমদার প্রমুখ গল্প লিখেছেন। এবারে কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের শতর্বষের কথা মনে রেখে তাঁকে নিয়ে একটি মনন সমৃদ্ধ নিবন্ধ লিখেছেন কবি গৌতম চৌধুরী। সঞ্জয় চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক কবিতার বই ‘দণ্ডবৎ মাতা’ নিয়ে একটি ছোট্ট আলোচনা করেছেন কবি অমিতাভ দেবচৌধুরী। এছাড়াও ত্রিদিব দত্ত, সিদ্ধার্থ গৌতম বসুদের ছবিতে প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে ভেতরেও সংখ্যাটি হয়েছে অলংকৃত।  
শিলচর বাতায়নে উজান
প্রকাশের পরে পরেই গোটা দেশ থেকে পত্রিকার চাহিদা ছাপা প্রতিলিপির সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছিল। অগত্যা প্রকাশক 'উজান সাহিত্য গোষ্ঠী' চেষ্টা চালালো আন্তর্জালে যদি চাপানো সম্ভব হয়। হলো। এই প্রথমবারের জন্যে 'উজান' আন্তর্জালে এলো। চড়ে বসলো কাঠের নৌকাতে।
 আপনি এখানেই বইটি পুরো পড়তে পারেন। অবসরে পড়বার জন্যে নামিয়ে নিতেও পারেন।মোবাইলে পড়তে হলে আপনার দরকার পড়তে পারে ১) ব্লগার্স এবং ২) স্ক্রাইবড। সেগুলো গোগোল প্লেস্টোর্স থেকে নামিয়ে নিলে সুবিধে। 


Monday, October 28, 2019

হকুনর ছাও : পূর্ণাঙ্গ সিলেটি নাটক

'হকুনর ছাও'  ত্রিপুরার অভিনেতা, পরিচালক, নাট্যকার রামকৃষ্ণ দেবনাথের দ্বিতীয় সিলেটি নাটক। ধর্মনগরের বাসিন্দা এই নাট্যকারের নাটক সত্তর দশকের শেষের দিকেই আগরতলা ধর্মনগর সহ ত্রিপুরার একাধিক মঞ্চে অভিনীত হত। তুলে মূলে বিনাশ তাঁর প্রথম সিলেটি নাটক, সেই নাটকের অভিনয়ে উৎসাহী হয়ে তিনি এই দ্বিতীয় নাটক লেখেন।  ১৭ , ১৮ নভেম্বর, ১৯৭৯তে দুই রাতে ধর্মনগরে এই প্রথম অভিনয় হয়। ৯, ১০, ১১ ফেব্রুয়ারি , ১৯৮০তে আগরতলার রবীন্দ্রভবনে দ্বিতীয় অভিনয় হয়েছিল। বই হিসেবে প্রকাশিত হয় একই সময়ে বাংলা ১৩৮৭-তে। 
    আমাদের হাতে বইটি আসে ২০১৬-তে। ধর্মনগরের এক নাট্যকর্মী ও সমাজকর্মী দীপ্তেন্দু নাগের সঙ্গে গিয়ে তাঁর বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেছিলাম তাঁর এক আত্মীয়ের থেকে।  তিনি তখন বাঙালুরে প্রবাসী। দুর্লভ বইটির এই একটি প্রতিলিপি আমাদের হাতেও বেশিদিন সুরক্ষিত থাকবে না ভেবে পিডিফে রূপান্তরিত করা গেল।  এবং কাঠের নৌকাতে ভাসিয়ে দেওয়া গেল। নাটক হিসেবে এটি আজকে অভিনয় কেউ করবেন কি না সেই সিদ্ধান্ত অভিনেতা বা নাট্যগোষ্ঠী নেবেন। কিন্তু পূর্বোত্তরের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হতে তো অসুবিধে নেই। সিলেটির অভ্যন্তরীণ ভাষাবৈচিত্র্য বুঝতেও বইটি সাহায্য করবে। ত্রিপুরার বাইরে পূর্বোত্তরেও অনেকে জানেনই না যে উত্তরত্রিপুরাও একটি সিলেটি প্রধান অঞ্চল। বস্তুত ব্রিটিশপূর্ব ভারতে এই অংশটি বহুসময়েই সিলেটের অংশই ছিল। 
         আপনি এখানেই বইটি পুরো পড়তে পারেন। অবসরে পড়বার জন্যে নামিয়ে নিতেও পারেন।মোবাইলে পড়তে হলে আপনার দরকার পড়তে পারে ১) ব্লগার্স এবং ২) স্ক্রাইবড। সেগুলো গোগোল প্লেস্টোর্স থেকে নামিয়ে নিলে সুবিধে। 

Saturday, October 26, 2019

প্রবাহ : ৩২ বর্ষ, ২য় সংখ্যা


সমের বাংলা সাহিত্য তথা পত্রপত্রিকার খবর রাখেন এমন যে কেউ 'প্রবাহ'-এর নাম জানেন । ৩২ বছর বয়স হলো। বত্রিশ বছরের ২য় সংখ্যাটি দিয়ে এর আন্তর্জাল যাত্রা শুরু হলো। দক্ষিণ অসমের হাইলাকান্দি জেলার ছোট্ট শহর লালার থেকে আশিস রঞ্জন নাথের সম্পাদনাতে নিরলস বেরিয়ে আসছে। বহু বছর ধরে এটি বিষয় ভিত্তিক কাগজ রূপে বেরোচ্ছে। সম্পাদক দাবি করেন গবেষণা ধর্মী কাগজ। অধিকাংশ সংখ্যাই হচ্ছে সংগ্রহযোগ্য, যেমন আগের সংখ্যাতে এরা দুই মলাটের মাঝে ধরেছিলেন সদ্য প্রয়াত কবি ব্রজেন্দ্র কুমার সিংহের জীবন এবং কর্মকে। পূর্বোত্তরের বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান ধারক ব্রজেন্দ্র কুমার সিংহ যে আধুনিক বিষ্ণুপ্রিয়া কবিতার জনকস্বরূপ ছিলেন এ আমাদের জানাই হতো না প্রবাহ কাজটি না করলে। এই সংখ্যাতে এরা ধরলেন চা-বাগান এবং শ্রমজীবী আদিবাসীদের জীবন, ইতিহাস, সমাজ , সংস্কৃতি তথা সাহিত্যকে। বিষয় এবং লেখক সূচি এরকম।
                                                                           
বরাক উপত্যকার চা বাগান -- গোড়াপত্তন পর্ব : দেবব্রত দত্ত
বরাক উপত্যকার চা জনগোষ্ঠী -- আগমন ও বিবর্তনের রূপরেখা : রাখি পুরকায়স্থ
চা শিল্পের একাল- সেকাল : পার্থঙ্কর চৌধুরী
আসামে চা শ্রমিক আমদানি -- এক দীর্ঘ দহনকথা : মেঘমালা দে মহন্ত
কাছাড় চা -- হারিয়ে যাওয়া এক গৌরব : ডঃ অলক সেন
বরাক উপত্যকার চা শ্রমিকদের আন্দোলন ও চা শিল্প : অরূপ বৈশ্য
বিশ্বায়ন ও বরাকের চা জন গোষ্ঠী :  সুব্রতা মজুমদার
চা শ্রমিকদের মাতৃভাষা ও তার ক্ষয়িষ্ণুতা : কাজল দেমতা
বরাক উপত্যকার চা বাগানে শিক্ষা সংস্কার : রমাপ্রসাদ বিশ্বাস
চা জনজাতির লোকগীতে অন্তর্বেদনার প্রতিফলন -- একটি পর্যবেক্ষণ :  ডঃ সন্তোষ আকুড়া
চা বাগানের প্রচলিত গীত (ভোজপুরি) : অশোক বার্মা
চা বাগানের পালা পরব : ঝুমুর পান্ডে
সাংস্কৃতিক জীবন ধারায় ফাগুয়ার কাঠিনাচ : শংকর দেব
চা জনজাতিদের বিবাহের রীতি নীতি : কাজল দেমতা
চা বাগানের খেলাধূলা :  অশোক বার্মা
লাবক চা বাগানের হাসপাতাল আজ এক ইতিহাস : আহমদ হাসান বড়ভূইয়া
' হামদের বাত ' --- এক অতন্দ্র প্রহরী :  বিশ্বরাজ ভট্টাচার্য
বরাকে চা-পর্যটনের সম্ভাবনা :  আশিসরঞ্জন নাথ
চায়ের ইতিহাস : আখতার হামিদ খান
গোলাপী চা
এ অঞ্চলে চা শিল্পের সাম্প্রতিক সঙ্কট : ডঃ জওহরলাল সেন
চরগোলা এক্সোডাস-১৯২১ : ডঃ শ্যামাপ্রসাদ ভট্টাচার্য
কবিতাগুচ্ছ ( চা বাগানের ভাষার) : অভিজিৎ চক্রবর্তী
অস্তিত্বের সংকটে শীতলপাটি শিল্প - তুতিউর রহমান পাটিকর
প্রায় ২০০ পৃষ্ঠার এই সংখ্যার প্রচ্ছদ এঁকে দিয়েছেন গনেশ নন্দী।
শুভেচ্ছা বিনিময় মাত্র ১৫০টাকা।
সংগ্রহ যোগ্য সংখ্যাটির জন্য  সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে এই নম্বরে ডাক পাঠান : ৮৮১১০১০৫৪০

           আপনি কম্পিউটারের পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পারেন। নামিয়ে নিয়ে অবসরে পড়তে পারেন। যারা মোবাইলে পড়ছেন তাদের হয়তো দুটো এপ্স দরকার পড়তে পারে। ১) ব্লগার্স, ২) স্ক্রাইবড। নাম দুটিতে ক্লিক করে প্রাসঙ্গিক লিঙ্কে পৌঁছান। নামিয়ে নিন। আর একে একে পড়তে থাকুন।



Related Posts with Thumbnails