Tuesday, June 2, 2026

কর্মশালা ৵ ৩৩ বছর ৵ ৩য় ও ৪র্থ যুগ্মসংখ্যা ৷৷ বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, শিলঙের মুখপত্র

 


'কর্মশালা' বছর ৩য় ৪র্থ যুগ্ম সংখ্যা একত্রে  কাঠের নৌকাতে চড়ল। বেরিয়েছিল যথাক্রমে  বৈশাখ ১৪৩-শে। শতাব্দী পার করেও তিনটি দশক পার করতে চলেছে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ। পূর্বোত্তরে এর একটিই শাখা এখনও সজীব আছে। আর সেটি ঔপনিবেশিক অসমের রাজধানী শিলঙে। দেড় দশক পরে এই শাখারও শতবর্ষ আসছে। এর মুখপত্র "কর্মশালা'-র বয়স ত্রিশ বছর অতিক্রম করেছে। লোকে বলেন, লিটল ম্যাগাজিনের কাজ সাহিত্যের আন্দোলন গড়ে তোলা, নতুন লেখন ধরণ গড়ে তোলা, নতুন লেখক গড়ে তোলা। এমন এক সংগঠনের মুখপত্রকে অনেকে লিটল ম্যাগাজিন বলে মানতে নারাজ। কিন্তু মেঘালয়ে তথা রাজধানী শহরে যদি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রদীপটি কোনও সংগঠন ধরে রেখেছেতবে এই বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এবং এর মুখপত্র কর্মশালা



           প্রথমটি ৬৮   পৃষ্ঠায় সাজানো  এই ছোট্ট কাগজে এরা গল্প কবিতা এবং চিন্তা সমৃদ্ধ প্রবন্ধে সাজিয়েছেন। যাঁরা লিখেছেন, তাঁদের নাম রইল একত্রে এখানে।  এবং অন্যান্য তথ্য


 

পরিষদের পক্ষে কাগজটি প্রকাশ করেন সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চক্রবর্তী

           এর আগেও ১১টি সংখ্যা এসেছিল এবারে আরও একটি সংখ্যা কাঠের নৌকাতে আসছে। ৩৩ বছর, ৩য় -৪র্থ যুগ্ম সংখ্যা। আর সেটি সম্ভব করেছেন এর সম্পাদক কাশীনাথ চক্রবর্তী(শঙ্কু) 

         আপনি কম্পিউটারের পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পারেন। নামিয়ে নিয়ে অবসরে পড়তে পারেন। যারা মোবাইলে পড়ছেন তাদের হয়তো দুটো এপ্স দরকার পড়তে পারে। ১) ব্লগার্স, ২) স্ক্রাইবড নাম দুটিতে ক্লিক করে প্রাসঙ্গিক লিঙ্কে পৌঁছান। নামিয়ে নিন। আর একে একে পড়তে থাকুন

 

কর্মশালা ৵ ৩৩ বছর ৵ ৩য় ও ৪র্থ যুগ্মসংখ্যা by Sushanta Kar

পাখি সব করে রব ৶ ১৪৮ ও ১৪৯ সংখ্যা

 


প্রতিমাসে নিয়ম করেই বেরোচ্ছে কবিতার এই ছোটো পত্রিকা 'পাখি সব করে রব'ত্রিপুরার ধর্মনগর থেকে । পীযুষকান্তি দাশ বিশ্বাসের সম্পাদনাতে অসম -ত্রিপুরার নবীন ও প্রবীণ কবিদের কবিতা নিয়ে সেজে উঠে। কখনো বা ঠাই পায় প্রতিবেশী ভাষাগুলোর কবিতাও, কিংবা সেগুলোর বাংলা অনুবাদ। কখনো বা ছোট্ট দুই একটি গদ্যও। সব চাইতে আকর্ষণীয় বোধ করি ছোট্ট মাপা আয়তনের ভারবহ সম্পাদকীয়।

ফেব্রুয়ারি-মার্চ, ২০২৬ তথা ১৩শ বর্ষ ৪র্থ ও ৫ম  সংখ্যা এখানে রইল। আরও স্পষ্ট করলে পত্রিকার ১৪৮ ও ১৪৯   সংখ্যা।


 ত্রিপুরার অন্যতম প্রধান কবি তথা ঈশানের পুঞ্জমেঘের অন্যতম এডমিন সেলিম মোস্তফা এগুলো  দিলেন  'কাঠের নৌকো'-র জন্যে। আগেকার সংখ্যাগুলোও এখানেপড়তে পারেন সম্পাদক পীযুষ কান্তি দাশ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে এখানে দেখুন:

 


 

আপনি কম্পিউটারের পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পারেন। নামিয়ে নিয়ে অবসরে পড়তে পারেন। যারা মোবাইলে পড়ছেন তাদের হয়তো দুটো এপস দরকার পড়তে পারে। ১) ব্লগার্স, ২) স্ক্রাইবড নাম দুটিতে ক্লিক করে প্রাসঙ্গিক লিঙ্কে পৌঁছান। নামিয়ে নিন। আর একে একে পড়তে থাকুন। 

 

পাখি সব করে রব ৶ ১৪৮ by Sushanta Kar

পাখি সব করে রব ৶ ১৪৯ by Sushanta Kar

Saturday, May 9, 2026

উজান ৵ একবিংশতিতম সংখ্যা; ২০২৫

 


'উজান'  একবিংশতিতম সংখ্যা বেরিয়েছিল ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫-এমাস কয়েক হয়ে গেল। বছরে একটিই বেরোয়।   ২০২৫-শে ২১-শে ফেব্রুয়ারি দিনে বাংলাদেশ সরকার "একুশে পদক' দিয়ে সম্মানিত করেন "অভ্র কি-বোর্ড'-এর প্রতিষ্ঠাতা মেহেদী হাসান খান এবং তাঁর সঙ্গী তানবিন ইসলাম সিয়াম,রিফাত নবী,শাবাব মুস্তাফা-র দলটিকে। ২০০৩-এ এঁদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত কি-বোর্ড ব্যবহার আন্তর্জালে বাংলা লেখালেখিকে অত্যন্ত সহজ করে তুলে। জেনে না জেনে আমরা তাঁদের সরঞ্জাম ব্যবহার করে এসেছি ভারতে বাংলাদেশে এবং বাকি বিশ্বে বাংলা সহ প্রতিবেশী ভাষাগুলো লিখতে। এমন কি শুরুর দিকে অসমিয়া লিখতেও এই সফটওয়্যার ব্যাপক ব্যবহৃত হয়েছে।  কম্প্যুটারে, আন্তর্জালে বাংলা ও অসমিয়া লেখা পড়বার গতি প্রকৃতিকে ধরেছেন এবারে উজান পত্রিকার সম্পাদক মণ্ডলী। অসমিয়াতে এমন ভাবনা নিয়ে ইতিমধ্যে "গরীয়সী'-র মতো বিখ্যাত কাগজ কাজ করলেও ভারতে বাংলা কোনো কাগজ এমন পরিকল্পনা করে নি। উজান-ই এবারে প্রথম ভাবল,যখন আমাদের লেখা-পড়া-বলা-শোনা এখন ক্রমেই আন্তর্জাল নির্ভর হয়ে পড়ছে। বিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়েও আন্তর্জালের ব্যাপক ব্যবহার বাড়ছে। এমন কি ২০২২ থেকে কৃত্রিম ধী তথা বুদ্ধিমত্তা (AI) আসবার পর থেকে ভাষা ব্যবহারের বহু নতূন ধরন ও চিন্তা শুরু হয়েছে। এর যতটা পারেন সবটাই এবারে ধরেছে "উজান' পত্রিকা।  এর জন্যে তাঁরা অতিথি সম্পাদক হয়ে কাজ করবার জন্যে সঙ্গে নিয়েছেন কলকাতার সরসুনা কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তন্ময় বীরকে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন উজানের মুখ্য সম্পাদক অধ্যাপক সুশান্ত কর।  নন্দিতা মুখার্জি, জীবন কৃষ্ণ সরকার, সবিতা দেবনাথ, ভানু ভূষণ দাস, সুজয় কুমার রায়, ত্রিদিব দত্ত প্রমুখ সম্পাদক মণ্ডলীর অন্যান্যরা  রয়েইছেন।


 


 

সংখ্যাটি সাজাতে ভারত বাংলাদেশে বাংলা ও অসমিয়া ভাষা নিয়ে আন্তর্জালে কাজ করেন এমন কিছু শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি তথা প্রযুক্তিবিদ, ভাষাবিদ ও সাহিত্য কর্মী এই সংখ্যাতে লিখেছেন। লিখেছেন বাংলাদেশ থেকে অভ্র দলের হয়ে    শাবাব মুস্তফা, সৈয়দ মূসা রেজা। ড. অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সি-ড্যাক কলকাতার গবেষকেরা কলম ধরেছেন। "ইউনিকোডের অভিযাত্রা' নিয়ে লিখেছেন পীযুষকান্তি বিশ্বাস; কৃত্রিম ধী ব্যবহার করে কবিতা কীভাবে তৈরি হচ্ছে সেই নিয়ে কি-বোর্ড চেপেছেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, কৃত্রিম ধী নিয়ে আরও লিখেছেন মনজিৎ নাথ ও ড.প্রাঞ্জল কলিতা । লিখেছেন কৃত্রিম ধী-র গবেষক সন্দীপন ধর।  "অভ্র কি-বোর্ড'-এর অসমিয়া সমতুল "রোদালি'-র স্রষ্টা অধ্যাপক গুণদীপ চেতিয়া লিখেছেন আন্তর্জালে অসমিয়া লেখা-পড়ার ইতিকথা। পূর্বোত্তর ভারতের বহুভাষীক আন্তর্জাল অভিধান শব্দ ডট অর্গ-এর জন্ম থেকে এই পর্যন্ত যাত্রা কাহিনি লিখেছেন বিক্রম মজিন্দার বরুয়া। আন্তর্জালের বিভিন্ন ব্লগ ও ম্যাগাজিনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছেন মৃন্ময় দেব, বই-পত্রিকার সন্ধান দিয়েছেন চণ্ডিকা দাস।  নিজেদের সাময়িক পত্রিকা "এককমাত্রা'-র দীর্ঘ কুড়ি বছরের সংগ্রামের শেষে কীভাবে আন্তর্জালে এল তার এক মন সমৃদ্ধ গল্প লিখেছেন অনিন্দ্য ভট্টাচার্য, আর অসমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক প্রণবানন্দ দাশ লিখেছেন গত তিন চারদশকে দৈনিক কাগজের বিবর্তন এবং আন্তর্জাল যুগে এর বিপন্নতার কথা। দুটি   ছোটো গল্পে আন্তর্জালকে ধরেছেন কথাশিল্পী বিদ্যুৎ পাল ও আইভি চট্টোপাধ্যায়।

এছাড়াও সদ্য-প্রয়াত গণ-শিল্পী জুবিন গার্গের গানের এক দীর্ঘ মূল্যায়ন করেছেন প্রাগজ্যোতি গগৈ। এবছরে ভূপেন হাজরিকা ছাড়াও একাধিক বাঙালি প্রতিভার জন্ম শতবর্ষ। এদের মধ্যে সর্বাগ্রে মনে পড়বে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কথা। এছাড়াও রয়েছেন কবি ও সঙ্গীত শিল্পী সলিল চৌধুরী প্রমুখ আরও অনেকে। উজান ভূপেন হাজরিকা, সলিল চৌধুরী এবং কবি সুকান্তকে অন্তত ছুঁয়ে গেছে এই সংখ্যাতে। লিখেছেন যথাক্রমে শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার, দীপক সেনগুপ্ত ও অধ্যাপক হিমাংশু শেখর বিশ্বাস। প্রচ্ছদ সাজিয়ে  দিয়েছেন ত্রিদিব দত্ত, ভেতরের অলঙ্করণ করে দিয়েছেন শুভজিৎ পাল।

           আগের ছয়টি  সংখ্যাও "কাঠের নৌকাতে' চড়েছিল। এখানে ক্লিক করে পড়তে পারেন।এবারে চড়ছে  একবিংশতিতম সংখ্যা...আপনি এখানেই পত্রিকাটি পুরো পড়তে পারেন। বোতাম টিপে বড় করে পর্দা জুড়ে পড়তে পারবেন। যেটি আপনার সুবিধে।অবসরে পড়বার জন্যে নামিয়ে নিতেও পারেন।মোবাইলে পড়তে হলে আপনার দরকার পড়তে পারে ১) ব্লগার্সএবং ২) স্ক্রাইবড। সেগুলো গোগোল প্লেস্টোর্স থেকে নামিয়ে নিলে সুবিধে।

উজান ৵ একবিংশতিতম সংখ্যা; ২০২৫ by Sushanta Kar

Related Posts with Thumbnails