'কর্মশালা'
৩৩
বছর ৩য় ও
৪র্থ যুগ্ম সংখ্যা একত্রে কাঠের নৌকাতে চড়ল। বেরিয়েছিল যথাক্রমে বৈশাখ ১৪৩৩-শে। শতাব্দী পার করেও তিনটি দশক পার করতে চলেছে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ।
পূর্বোত্তরে এর একটিই শাখা এখনও সজীব আছে। আর সেটি ঔপনিবেশিক অসমের রাজধানী শিলঙে।
দেড় দশক পরে এই শাখারও শতবর্ষ আসছে। এর মুখপত্র "কর্মশালা'-র বয়স ত্রিশ বছর অতিক্রম করেছে। লোকে বলেন,
লিটল ম্যাগাজিনের কাজ সাহিত্যের আন্দোলন গড়ে তোলা, নতুন লেখন ধরণ গড়ে তোলা, নতুন লেখক গড়ে তোলা। এমন এক
সংগঠনের মুখপত্রকে অনেকে লিটল ম্যাগাজিন বলে মানতে নারাজ। কিন্তু মেঘালয়ে তথা
রাজধানী শহরে যদি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চার প্রদীপটি কোনও সংগঠন ধরে রেখেছে—তবে এই বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ এবং এর মুখপত্র ‘কর্মশালা’।
প্রথমটি ৬৮ পৃষ্ঠায় সাজানো এই ছোট্ট কাগজে এরা গল্প কবিতা এবং চিন্তা সমৃদ্ধ প্রবন্ধে সাজিয়েছেন। যাঁরা লিখেছেন, তাঁদের নাম রইল একত্রে এখানে। এবং অন্যান্য তথ্য〰
পরিষদের পক্ষে কাগজটি প্রকাশ করেন সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় চক্রবর্তী।
এর আগেও ১১টি সংখ্যা এসেছিল। এবারে আরও একটি সংখ্যা কাঠের নৌকাতে আসছে। ৩৩ বছর, ৩য় -৪র্থ যুগ্ম সংখ্যা। আর সেটি সম্ভব করেছেন এর সম্পাদক কাশীনাথ চক্রবর্তী(শঙ্কু)।
আপনি কম্পিউটারের পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পারেন। নামিয়ে নিয়ে অবসরে পড়তে পারেন। যারা মোবাইলে পড়ছেন তাদের হয়তো দুটো এপ্স দরকার পড়তে পারে। ১) ব্লগার্স, ২) স্ক্রাইবড। নাম দুটিতে ক্লিক করে প্রাসঙ্গিক লিঙ্কে পৌঁছান। নামিয়ে নিন। আর একে একে পড়তে থাকুন


No comments:
Post a Comment