Friday, May 26, 2017

বর্ণমালার রোদ্দুর: ১৯শে মে, ২০১৭

           র্ণমালার রোদ্দুর' শিলচরের ভাষা শহীদ স্টেশন শহীদ স্মরণ  সমিতির মুখপত্র', বেরোয় শিলচর থেকে। ১৯শে মে দিনে। শুরু থেকেই সম্পাদনা করে আসছেন সমিতির সম্পাদক ডাঃ রাজীব কর। এবারে ২০১৭তেও তিনিই করেছেন।  প্রতিবারের মতোই এবারেও সাজিয়েছেন দিনটির সামাজিক , রাজনৈতিক , সাংস্কৃতিক তাৎপর্য বাহী বেশ কিছু প্রাসঙ্গিক  অনু নিবন্ধ এবং কবিতা দিয়ে। লিখেছেন আসাম এবং আসামের বাইরেরও বহু লেখক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অধুয়াপক তপোধীর ভট্টাচার্য, অধ্যাপক সুবীর কর, সনৎ কৈরি, ইমাদ উদ্দিন বুলবুল, শৈলেন সাহা প্রমুখ অনেকে।  বহু অনুপ্রবন্ধের সঙ্গে রয়েছে একগুচ্ছ কবিতাও।
       বর্তমান সংখ্যাটি পঞ্চদশ সংখ্যা। যদিও সবকটি ধারাবাহিক ভাবে কাঠের নৌকাতে আসে নি।  এই নিয়ে কাগজটির পাঁচটি  সংখ্যা 'কাঠের নৌকাতে' চড়ল।  নিচের বিষয় শ্রেণিতে ক্লিক করে আগেকার সংখ্যাগুলোতেও যেতে পারবেন সহজেই।
ছাপা সংস্করণ পেতে সম্পদকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানাতে।

 কাগজটি আপনি এখানেই পুরো পর্দা জুড়ে পড়তে পারেন বা নামিয়ে নিয়ে পারেন আপনার কম্পিউটারে। শুধু দরকার পড়তে পারে এডোব ফ্লাস প্লেয়ারের। সেটি এখান থেকে নামিয়ে নিন।

Friday, May 19, 2017

উন্মাদের স্বপ্ন ও অন্যান্য বিজ্ঞপ্তি

ই কবিতার বই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে পূর্বোত্তরের বই-দুনিয়াতে নতুন পর্ব শুরু হয়ে গেল। এর কোনো ছাপা সংস্করণ বেরোয় নি। লেখক সপ্তর্ষি বিশ্বাস লিখেছেন,  ""এই কবিতাগুলি ২০১০-১১ সালে লিখিত। এদের কিছু কিছু আমার এতাবৎ মুদ্রিত চারটি গ্রন্থের কোনোটিতে আছে। কিন্তু কোনগুলি আছে, কোনগুলি নেই তা মিলিয়ে দেখবার মতো ধৈর্য আমার নেই।  সবচেয়ে বেশী অধৈর্য আমি প্রকাশক ধরবারকায়দাকানুনে।  এঁদের অনেক বায়নাক্কা। অতএব স্থির করেছি বছরের লেখার খেরোর খাতা এভাবেই ছড়িয়ে রেখে যাব আজকের আর ভবিষ্যতের প্রকৃত পাঠকের জন্য।'' এই বই প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কাঠের নৌকাও আরেকটা বড় পথের মোড় ফেরালো।            
         সপ্তর্ষিকে এই ফেসবুক কোলাহলের দিনেও দাবি করেই বলা যেতে পারে 'নির্জনতা'র কবি। যদিও পূর্বোত্তর ভারতে যারাই আন্তর্জালে এখন লেখালেখি করেন তাদের সবার আগে যে দুই তিনজন নিজেদের উপস্থিতির জানান দিয়েছিলেন  সপ্তর্ষি তাঁদের অন্যতম। সেসব গেল দশকেরই শেষের ঘটনা। আর কবিতা লিখছেন আশির দশক থেকেই। ইতিমধ্যে একাধিক বই তাঁর বেরিয়েছেও।

পাপের তটিনী ধরে (অনুবর্তন, ২০০৯)
যুগল বন্দী (অনুবর্তন, ২০১০)
হুমায়ুন ফরিদি ও অন্যান্য বিষাদগাথা ( অভিমান, ২০১২)
গৃহপথগাথা (একক অক্ষৌহিনী, ২০১৩)
দাহ্য মাধুকরী ( আদম, ২০১৪) 
এর প্রথম তিনখানাই কাঠের নৌকাতেও এসেছে। নিজের একাধিক ব্লগে নিজের লেখা যেমন তুলে রাখেন, তেমনি অনুরাগীরা পড়বেন বলে তুলে রাখেন নিজের ভালো লাগা 'ভালো কবি'দের কবিতা-গল্প-গদ্যও। ঈশানের পুঞ্জমেঘেরও তিনি পুরোনো লেখক। সেই যে ওমর খৈয়াম প্রশ্ন করেছিলেন, "" "তেরে শিশো মে ময় বাকি নাহি/বাতা তু ক্যাঁয়া মেরা সাঁকি নাহি।' অর্থাৎ তোমার পেয়ালাতে মদ বাকি নাই। বল তাই বলে তুমি কি আমার সাকি নও?'' সেই যে লালন ফকিরের প্রশ্ন ছিল খাচার ভেতর অচীন পাখি ক্যামনে আসে যায়? সেই যে রবীন্দ্রনাথ প্রশ্ন করেছিলেন, ""এ কী কৌতুক নিত্যনূতন/ওগো কৌতুকময়ী,/আমি যাহা কিছু চাহি বলিবারে/ বলিতে দিতেছ কই ।/অন্তরমাঝে বসি অহরহ/মুখ হতে তুমি ভাষা কেড়ে লহ ,/মোর কথা লয়ে তুমি কথা কহ / মিশায়ে আপন সুরে ।...'' সেই চেতনা প্রবাহের উত্তরধ্বনি শোনা যাবে সপ্তর্ষিতে যখন লেখেন, ""শিক্ষা করি একা থাকা, একাকীত্ব নয় –/যখনি একলা শুধু তখনি গহনে/টের পাই সর্বগ্রাসী তোমার প্রণয় ...''।
                      ৫৩টি কবিতার সংকলন।  আশা করছি ভালো লাগবে। এখানে পুরো, পৃষ্ঠা জুড়ে পড়তে পারেন। দরকারে নামিয়ে নিয়ে পরেও পড়তে পারেন। নিচের বোতামগুলো দেখুন।  আপনার শুধু দরকার পড়তে পারে এডোব ফ্লাস প্লেয়ারের, সেটি এখান থেকে নামিয়ে নিন। 
        মোবাইলে পড়তে হলে স্ক্রাইবড এপ দরকার পড়তে পারে, সেটি এখান থেকে নামিয়ে নিন।

মোবাইলে লেখাটি ঠিকঠাক দেখালেও প্রায়োগিক কারণে অনলাইনে কম্প্যুটারে হরফ গুলো বিশেষ করে যুক্তাক্ষর ভেঙে গেছে বা স্থানবদল দেখা যাচ্ছে। এটি আমরা ঠিক করবার চেষ্টা করেও পারিনি। সম্ভবত এম ওয়ার্ডের লুকোনো কোডের জন্যে হচ্ছে।  পাঠকদের কাছে অনুরোধ বইটি নামিয়ে নিন (Download)। ঠিকঠাক পড়তে পারবেন।


কার্নিভ্যাল : ১ম বর্ষ, ১ম সংখ্যা



নিশে মে দিনে আত্মপ্রকাশ করল নতুন বাংলা কাগজ ‘কার্নিভ্যাল’। এর ছাপা সংস্করণ বেরোচ্ছে একযোগে কোচবিহার এবং শিলচর থেকে। আন্তর্জাল সংস্করণ বেরোল কাঠের নৌকাতে। দুই তরুণ প্রলয় নাগ এবং মাধব ঘোষের উদ্যোগে কাগজটি যে কেবলই যেশোকামীদের ভিড় বাড়াবে না, একটা বৃহত্তর সামাজিক দায়বোধের প্রত্যয় নিয়ে পা বাড়িয়েছে সেটি এই প্রথম সংখ্যার বিষয় নির্বাচনেই স্পষ্ট: ‘দেশপ্রেম ও দেশদ্রোহ’। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপিকা বেলা দাস এবং কথাশিল্পী রণবীর পুরকায়স্থের শুভেচ্ছাবাণী রয়েছে শুরুতেই। লিখেছেন তপোধীর ভট্টাচার্য, মাধব ঘোষ, প্রিয়স্মিতা দাশগুপ্ত, রকি সাহা, এবং সুশন রায়।
চটি কাগজ । মাত্র ২৪ পৃষ্ঠার । তাতে দুই সম্পাদকের তারুণ্যদীপ্ত সম্পাদকীয় মন কাড়বে। প্রথম সম্পাদকীয় পড়ে জানা গেল ‘কার্নিভ্যালে’র জন্ম আসলে গানের দল হিসেবে, যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এবারে সেই দলের সংযোজন ঘটল এই কাগজটি। মাধব দাস লিখেছেন, ‘কার্নিভ্যাল একটি স্বপ্ন’।  কিসের স্বপ্ন--- তার জবাব মূল কাগজেই রয়েছে।
               আমরা শুধু আশা করতে পারি পাঠক চটজলদি কাগজখানা পড়ে নেবেন, এবং উপভোগও করবেন। ভাববেন এবং ভাবাবেন। ছাপা কাগজ পেতে গেলে এই ঠিকানাতে যোগাযোগ করতে পারেন।

আন্তর্জাল সংস্করণ এখানে পুরোটাই পড়তে পারবেন। অন্যকেও শেয়ার করে পড়াতে পারবেন।  দরকারে নামিয়ে নিয়ে পরেও পড়তে পারেন। নিচের বোতামগুলো দেখুন।  আপনার শুধু দরকার পড়তে পারে এডোব ফ্লাস প্লেয়ারের, সেটি এখান থেকে নামিয়ে নিন। 

        মোবাইলে পড়তে হলে স্ক্রাইবড এপ দরকার পড়তে পারে, সেটি এখান থেকে নামিয়ে নিন।
Related Posts with Thumbnails